দক্ষিণ পূর্ব

স্প্যানিশ দাপটে বিদায় ফ্রান্স, ফাইনালে লা রোজা

Riayad
Riayad
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬
পঠিত :
স্প্যানিশ দাপটে বিদায় ফ্রান্স, ফাইনালে লা রোজা

ছবি সংগৃহীত

বিশ্বকাপজুড়ে দুর্দান্ত আক্রমণভাগের জন্য প্রশংসিত ছিল ফ্রান্স। অন্যদিকে শক্তিশালী রক্ষণভাগের কারণে আলোচনায় ছিল স্পেন। ডালাসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সেই রক্ষণভাগের সামনেই নিষ্প্রভ হয়ে পড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পেরা। দারুণ দলীয় নৈপুণ্যে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্পেন।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। ২২ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ওপর লুকাস দিনিয়ের ফাউলের পর পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮ মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে চমৎকার বোঝাপড়া থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। ৬৪ মিনিটে ইয়ামালের আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

 

আগামী রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা অথবা ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এই দুই দল মুখোমুখি হবে আগামীকাল।

 

ম্যাচজুড়ে ফ্রান্সের তারকাখচিত আক্রমণভাগকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেন। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেকে খুব কম সুযোগই দেয় স্প্যানিশ রক্ষণ। প্রথমার্ধে ফ্রান্স গোলমুখে কোনো শটই রাখতে পারেনি। পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি শট লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয় তারা।

 

মাঝমাঠে রদ্রির দাপুটে উপস্থিতি এবং রক্ষণে পাউ কুবারসির দৃঢ় পারফরম্যান্স ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে বারবার থামিয়ে দেয়। বিশেষ করে মাইকেল ওলিসেকে কার্যকরভাবে আটকে রাখে স্পেন। ২০ বার বলের দখল হারানোর পর ৭২ মিনিটে তাকে তুলে নিতে বাধ্য হন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম।

 

টুর্নামেন্টজুড়ে ১১ গোলে অবদান রাখা এমবাপ্পেও ছিলেন নিজের ছায়া। পুরো ম্যাচে তিনটি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। শেষ দিকে একটি হলুদ কার্ডও দেখেন তিনি।

 

বিশ্বকাপের আগে থেকেই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল স্পেন। সেমিফাইনালে সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন দেখিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। সাম্প্রতিক সময়েও স্পেনের বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে হেরে আসছিল ফ্রান্স। ২০২৪ অলিম্পিক, ২০২৪ ইউরো ও ২০২৫ নেশনস লিগের পর এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও স্প্যানিশদের কাছে পরাজিত হলো দেশমের শিষ্যরা।

 

পরিসংখ্যানেও ছিল স্পেনের আধিপত্য। ফ্রান্স ৪৮৮টি পাস খেললেও ৯৩টি পাস ভুল করেছে স্পেনের কার্যকর প্রেসিংয়ের কারণে। এছাড়া ১৮টি ক্রস থেকে মাত্র চারবার সফল হতে পেরেছে তারা।

 

২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। অন্যদিকে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলার স্বপ্ন ভেঙে গেছে ফ্রান্সের। এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে দেশমের দল।

 

আর এইচ/  দক্ষিণপূর্ব 

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।